বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, স্থানীয় সরকার শাখা, ডিসি অফিস চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি, সাজেশন, প্রশ্ন প্যাটার্ন, সিলেবাস, Barguna DC Office Job written exam question, question pattern, previous question, exam preparation, suggestion, syllabus 2024.
Saturday, December 30, 2023
হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান pdf 2024 . অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন ও সমাধান pdf 2023 অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২২ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন pdf অফিস সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন pdf অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২১ অফিস সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২০ অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন pdf
Friday, December 29, 2023
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন 2024, হিসাব সহকারী-কাম- কম্পিউটার অপারেটর, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, প্রস্তুতি, সাজেশন, প্রশ্ন প্যাটার্ন, বিগত সালের প্রশ্ন 2024
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন 2024, হিসাব সহকারী-কাম- কম্পিউটার অপারেটর, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, প্রস্তুতি, সাজেশন, প্রশ্ন প্যাটার্ন, বিগত সালের প্রশ্ন 2024
বিস্তরিত ভিডিওতে দেখুন
অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রস্তুতি, অফিস সহায়ক পরীক্ষার সাজেশন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪ pdf, স্কুলে অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ইংরেজি, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন গণিত, অফিস সহায়ক পরীক্ষার সাজেশন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার সিলেবাস, অফিস সহায়ক পরীক্ষার বই, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf
অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রস্তুতি, অফিস সহায়ক পরীক্ষার সাজেশন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪ pdf, স্কুলে অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ইংরেজি, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন গণিত, অফিস সহায়ক পরীক্ষার সাজেশন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার সিলেবাস, অফিস সহায়ক পরীক্ষার বই, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf,। office sohayok written exam question 2024.
বিস্তরিত ভিডিওতে দেখুন
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন ও সমাধান pdf 2024, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন pdf, অফিস সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে লিখিত পরীক্ষার.
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন ও সমাধান pdf 2024, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন pdf, অফিস সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৪, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে লিখিত পরীক্ষার.
বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন
Tuesday, December 26, 2023
সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান ২০২৪, recent gk 2024, current affairs 2024, samprotik general knowledge 2024
সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান ২০২৪, recent gk 2024, current affairs 2024, samprotik general knowledge, সাম্প্রতিক সাধারন জ্ঞান, samprotik bisso, samprotik, samprotik gk 2024, recent gk of Bangladesh, recent gk questions and answers, today, admission. bank job, bcs.
বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন
Monday, December 25, 2023
শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি সরকারি চাকরির প্রস্তুতি বই সরকারি চাকরির প্রস্তুতি বই pdf চাকরির প্রস্তুতি বাংলা চাকরির প্রস্তুতি মডেল টেস্ট দ্রুত সরকারি চাকরি পাওয়ার উপায় সরকারি চাকরির জন্য কোন বই ভালো সরকারি চাকরি প্রস্তুতি বেসিক কোর্স free download
সরকারি চাকরির প্রস্তুতি ২০২৪, sarkari chakrir prastuti 2024 , সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি, সরকারি চাকরির লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি 2024 , চাকরি পাওয়ার উপায়, chakri pawar upay, সরকারি চাকরি পাওয়ার উপায়, sarkari chakri pawar upay, বিস্তারিত ভিডিওতে দে
বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন
Saturday, December 23, 2023
Right form of verb rules bangla. Right form of verb এর শর্টকাট নিয়ম . Right form of verb এর হ্যান্ডনোট. Right form of verb exercise. Right form of verb example. right form of verb pdf.
What are the right forms of verbs in English grammar? What are the correct forms of verbs in English grammar? What are V1 V2 V3 verb forms? What is the rule of correct form of verb?
Thursday, December 21, 2023
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০২৩ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০২৩ প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার রেজাল্ট কবে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ রেজাল্ট প্রাইমারি রেজাল্ট ২০২২ দেখার নিয়ম প্রাইমারি ৩য় ধাপের রেজাল্ট pdf
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০২৩
downlod
linkSunday, December 17, 2023
dc office exam question, dc office written exam question, dc office exam question 2024. dc office job exam preparation 2024.
office office sohayok exam question chandpur, Chandpur dc office job exam preparation, suggestion, syllabus, previous question, question pattern 2024, math, English, dc office office sohayok exam question Chandpur, dc office exam question, dc office written exam question, dc office exam question 2024.
বিস্তারিত ভিডিও দেখুন
Saturday, December 16, 2023
অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রস্তুতি, বই, গণিত, ইংরেজি, বাংলা, সাজেশন, সিলেবাস 2024, অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩ pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৩, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ডিসি অফিস, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২১ pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান 2023, অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি 2024, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রস্তুতি, বই, গণিত, ইংরেজি, বাংলা, সাজেশন, সিলেবাস 2024, অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩ pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৩, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ডিসি অফিস, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২১ pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান 2023, অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি 2024,
অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রস্তুতি, বই, গণিত, ইংরেজি, বাংলা, সাজেশন, সিলেবাস 2024, অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩ pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৩, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ডিসি অফিস, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২১ pdf, অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান 2023, অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি 2024,
মৎস্য অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন, মৎস্য অধিদপ্তর অফিস সহায়ক প্রশ্ন, মৎস্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রশ্ন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, গাড়ি চালক, পাম্প অপারেটর, ফটোকপি অপারেটর, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, হ্যাচারি অ্যাটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ফিসারম্যান কাম-গার্ড, ওয়াচম্যান, ক্যাশ পিওন, মিউজিয়াম অ্যাটেনডেন্ট, বাবুর্চি, পন্ড অ্যাটেনডেন্ট, সুইপার কাম লস্কর, পুকুর প্রহরী, ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট, নক্সাকার, সিনিয়র ফটো আর্টিস্ট, মেট, সেকেন্ড ড্রাইভার, ড্রাইভার (মেরিন), সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, স্টোর কিপার, ট্রাক চালক, কার চালক, মেকানিক, তথ্য সংগ্রহ সহকারী, ডেকহ্যান্ড, ফিসারম্যান, হ্যাচারি টেকনিশিয়ান, ইলেকট্রিশিয়ান, dof exam question solution, Department of Fisheries DOF Job Circular 2023
মৎস্য অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন, মৎস্য অধিদপ্তর অফিস সহায়ক প্রশ্ন, মৎস্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রশ্ন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, গাড়ি চালক, পাম্প অপারেটর, ফটোকপি অপারেটর, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, হ্যাচারি অ্যাটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ফিসারম্যান কাম-গার্ড, ওয়াচম্যান, ক্যাশ পিওন, মিউজিয়াম অ্যাটেনডেন্ট, বাবুর্চি, পন্ড অ্যাটেনডেন্ট, সুইপার কাম লস্কর, পুকুর প্রহরী, ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট, নক্সাকার, সিনিয়র ফটো আর্টিস্ট, মেট, সেকেন্ড ড্রাইভার, ড্রাইভার (মেরিন), সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, স্টোর কিপার, ট্রাক চালক, কার চালক, মেকানিক, তথ্য সংগ্রহ সহকারী, ডেকহ্যান্ড, ফিসারম্যান, হ্যাচারি টেকনিশিয়ান, ইলেকট্রিশিয়ান, dof exam question solution, Department of Fisheries DOF Job Circular 2023
Thursday, December 14, 2023
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, সিভিল সার্জন পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, সিভিল সার্জন খুলনা, খুলনা সিভিল সার্জন নোটিশ, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী বই
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, সিভিল সার্জন পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, সিভিল সার্জন খুলনা, খুলনা সিভিল সার্জন নোটিশ, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী বই
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন pdf, সিভিল সার্জন পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, সিভিল সার্জন খুলনা, খুলনা সিভিল সার্জন নোটিশ, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী বই
Sunday, December 10, 2023
সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী বই, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ সহায়িকা pdf, স্বাস্থ্য সহকারী বিগত সালের প্রশ্ন, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩, স্বাস্থ্য সহকারী পদের পদোন্নতি.
civil surgeon exam question, question pattern, preparation, suggestion, civil surgeon health assistant exam question, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী বই, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান, সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২০২৩, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ সহায়িকা pdf, স্বাস্থ্য সহকারী বিগত সালের প্রশ্ন, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩, স্বাস্থ্য সহকারী পদের পদোন্নতি.
pdf download
বিস্তারিত ভিডিও দেখুন
Right form of verb এর শর্টকাট নিয়ম pdf Right form of verb এর হ্যান্ডনোট Right form of verb এর নিয়ম ছন্দে ছন্দে right form of verb pdf Right form of verb exercise Right form of verb Answer Right form of verb example
Right form of verb এর শর্টকাট নিয়ম pdf Right form of verb এর হ্যান্ডনোট Right form of verb এর নিয়ম ছন্দে ছন্দে right form of verb pdf Right form of verb exercise Right form of verb Answer Right form of verb example
https:
ত সার্চগুলি Right form of verb এর শর্টকাট নিয়ম ছন্দে ছন্দে right form of verb Rules of right form of verbs in bangla Right form of verb এর হ্যান্ডনোট ছন্দে ছন্দে right form of verb pdf Right form of verb Answer SSC right form of verbs Exercise with answer Right form of verb question and Answer
It is found that the verb may take different forms, such as present simple, past simple, present participle, past participle, bare infinitive, to infinitive, gerund, etc. From among these various forms of verbs, it is very important to choose the right one in the appropriate place to make the sentence meaningful.
Wednesday, December 6, 2023
Right form of verb এর নিয়ম ছন্দে ছন্দে, right form of verb pdf, Right form of verb exercise
Right form of verb এর শর্টকাট নিয়ম, pdf Right form of verb এর হ্যান্ডনোট, right form of verb english moja admission, Right form of verb এর নিয়ম ছন্দে ছন্দে, right form of verb pdf, Right form of verb exercise, Right form of verb Answer, Right form of verb example, Right form of verb কাকে বলে, right form of verb এর সহজ নিয়ম, right form of verb english, রাইট ফর্ম অফ ভার্ব। Right Form of Verb. right form of verb for ssc, hsc, admission, job preparation.
Tuesday, December 5, 2023
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অফিস সহায়ক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অফিস সহায়ক পদের প্রশ্ন সমাধান, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অফিস সহায়ক রেজাল্ট, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, অফিস সহায়ক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নিরাপত্তা প্রহরী প্রশ্ন, PKB Office Sohayok result, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লিখিত প্রশ্ন
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অফিস সহায়ক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অফিস সহায়ক পদের প্রশ্ন সমাধান, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অফিস সহায়ক রেজাল্ট, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, অফিস সহায়ক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নিরাপত্তা প্রহরী প্রশ্ন, PKB Office Sohayok result, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লিখিত প্রশ্ন
Probashi kallyan bank ( pkb ) office sohayok exam question, pkb office assistant exam preparatin, suggestion, syllabus, question pattern, previous year question, Probashi kallyan bank office sohayok exam question,
প্রবাসী ব্যাংক এ অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্ন সমাধান দেখুন ২০২৩। এমসিকিউ প্রশ্ন সঠিক উত্তর দেখুন এখান থেকে। যাহারা এখানে অফিস সহায়ক পদে আবেদন করেছেন এবং এই পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছেন এখান থেকে প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেখতে পারবেন। প্রবাসী ব্যাংক এ অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ প্রশ্নের সমাধান প্রবাসী ব্যাংক একটি সরকারি ব্যাংক, এই ব্যাংক মূলত যেসকল ভাই প্রবাসে থাকে তাদের বিভিন্ন লোন, টাকা জমা দেওয়া , টাকা উঠানো, আথিক অনুধানের জন্য মূলত এই ব্যাংক খুবই পরিচিত। তারই ধারাবাহীকতায় এই ব্যাংক অফিস সহায়ক পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা ৫ মে ২০২৩ তারিখ বিকেল ৩ঃ০০-৪ঃ০০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৯৯জন কে নিয়োগ দিবে অফিস সহায়ক পদে এবং তার জন্য আবেদন করেছেন ৪৪৩৫৫ জন। এই নিয়োগ পরীক্ষার সিট প্ল্যান ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে অনলাইন এর মাধ্যমে প্রবাসী ব্যাংক। আসুন পরীক্ষা অংশ গ্রহন করার আগে সিট প্ল্যান দেখে নেই।
Probashi kallyan bank ( pkb ) office sohayok exam question, pkb office assistant exam preparatin, suggestion, syllabus, question pattern, previous year question, Probashi kallyan bank office sohayok exam question,
Probashi kallyan bank ( pkb ) office sohayok exam question, pkb office assistant exam preparatin, suggestion, syllabus, question pattern, previous year question, Probashi kallyan bank office sohayok exam question, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অফিস সহায়ক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অফিস সহায়ক পদের প্রশ্ন সমাধান, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অফিস সহায়ক রেজাল্ট, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, অফিস সহায়ক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নিরাপত্তা প্রহরী প্রশ্ন, PKB Office Sohayok result, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লিখিত প্রশ্ন
প্রবাসী ব্যাংক এ অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্ন সমাধান দেখুন ২০২৩। এমসিকিউ প্রশ্ন সঠিক উত্তর দেখুন এখান থেকে। যাহারা এখানে অফিস সহায়ক পদে আবেদন করেছেন এবং এই পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছেন এখান থেকে প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেখতে পারবেন। প্রবাসী ব্যাংক এ অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ প্রশ্নের সমাধান প্রবাসী ব্যাংক একটি সরকারি ব্যাংক, এই ব্যাংক মূলত যেসকল ভাই প্রবাসে থাকে তাদের বিভিন্ন লোন, টাকা জমা দেওয়া , টাকা উঠানো, আথিক অনুধানের জন্য মূলত এই ব্যাংক খুবই পরিচিত। তারই ধারাবাহীকতায় এই ব্যাংক অফিস সহায়ক পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা ৫ মে ২০২৩ তারিখ বিকেল ৩ঃ০০-৪ঃ০০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৯৯জন কে নিয়োগ দিবে অফিস সহায়ক পদে এবং তার জন্য আবেদন করেছেন ৪৪৩৫৫ জন। এই নিয়োগ পরীক্ষার সিট প্ল্যান ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে অনলাইন এর মাধ্যমে প্রবাসী ব্যাংক। আসুন পরীক্ষা অংশ গ্রহন করার আগে সিট প্ল্যান দেখে নেই।
Thursday, August 31, 2023
আমি কেন গরিব অধম - পূর্ণিমা রায়
আমি কেন গরিব অধম
পূর্ণিমা রায়
Thursday, March 9, 2023
Monday, November 7, 2022
শাবলু শাহাবউদ্দিন
পানি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ ?
পানির অপর নাম জীবন, সেই জীবনের সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষ। পানির সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর আকারে ধারণ করেছে বাংলাদেশের এই উত্তরবঙ্গে। উত্তরবঙ্গের কোনো কোনিা গ্রামে শতকরা অর্ধেক টিউবওয়েল দিয়ে পানি উঠছে না। সরেজমিন দেখা গেছে, যেসব এলাকায় জলাশয় কিংবা পুকুর সংখ্যা যত কম, সেসব এলাকায় পানির সংকট তত তীব্র থেকে তীব্রতর আকারে ধারণ করেছে। বিশেষ করে বিল কিংবা চর এলাকায় বড় বড় পুকুর এবং জলাশয় খুব একটা দেখা যায় না, সেসব এলাকায় এখন পানির সংকট সবচেয়ে বেশি। বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকায় প্রচুর পানি থাকলেও, শুকনো মৌসুমে এসে সৃষ্টি হয় আহাকার। কারণ ওই একটাই পানি সংরক্ষণের জন্য কোনো পুকুর কিংবা জলাশয় নেই এসব এলাকায়।কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে ভূগর্ভের পানি নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ প্রকল্প পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে; ফলে শত শত বিঘা জমির ধান এই শুকনো মৌসুমে এসে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে দেখা দেবে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের মানুষের চরম খাদ্য সংকট।
আজ থেকে ১০ বছর আগেও এমন পানির সংকট দেখা যায়নি বলে দাবি করেছে অনেক এলাকার মানুষ। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে এই শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন অনেক প্রবীণ কৃষক। পানির অভাবজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অনেক হারে বৃদ্ধি পাবে; এমনকি কোনো এক সময় এই এলাকা অর্ধ-মরুভূমিতে রূপান্তরিত হবে বলে দাবি অনেকের। পানির সংকটে কৃষিকাজসহ গবাদিপশু পালন এবং গৃহস্থালির সব কাজ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি উত্তরবঙ্গের এসব এলাকার মানুষের। পানির এই তীব্র সংকট থেকে তারা মুক্তি চায়। কিন্তু মুক্তি দেবে কে?
বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা, তিস্তা, করতোয়া, মহানন্দা, পদ্মা, বড়াল, ইছামতী, ইরাবতি, আত্রাই, ধরলা, বাঙ্গালী, নাগর ইত্যাদি নদ ও নদী। পদ্মা এবং যমুনা নদী ব্যতীত অধিকাংশ নদীতে পানি নেই। পানি না থাকার কারণ হলো উত্তরে বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর গভীরতা কমে যাওয়া। বর্ষা মৌসুমে পলি জমে নদীর গভীরতা কমে গেছে, এখন ওইসব নদীর গভীরতা বৃদ্ধি করা বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র দায়িত্ব এবং কর্তব্য।
ভূগর্ভস্থ পানি সংকটের অনেকগুলো কারণের মধ্যে প্রধান কারণ হলো নদী-নালায় পানি না থাকা, পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যাওয়া, অসচেতনভাবে পুকুর এবং জলাশয় ভরাট, ভূগর্ভের পানির অপচয়, নদী-নালা দখল করে ভরাট, ইউক্যালিপটাস বৃক্ষ অধিক হারে রোপণ, জনসচেতনতা কমে যাওয়া ইত্যাদি।
শুকনো মৌসুমে ভূগর্ভের পানির গভীরতা নিচে নেমে যাওয়ায় অনেক টিউবওয়েল আর্সেনিক সমস্যা দেখা যাচ্ছে। পানির গভীরতা যেসব এলাকায় যত কমে যাচ্ছে, সেসব এলাকায় এই আর্সেনিক সমস্যা তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ যে সব এলাকায় আর্সেনিক আছে সেসব এলাকার ভূগর্ভের পানির ব্যবহার তত কম, ফলে অন্য এলাকার পানির গভীরতা কমে যাওয়ায় এই আর্সেনিক এলাকার পানি ওই এলাকায় ভূগর্ভে স্রোতের সৃষ্টি করছে, ফলে আর্সেনিকযুক্ত পানি ভূগর্ভে ছড়িয়ে যাচ্ছে নানা দিকে। ভবিষ্যতে এটা একটা চরম সমস্যা হিসেবে দেখা দেবে বলে মনে করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
ভূগর্ভস্থ পানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে প্রস্তুত হতে হবে। সব ধরনের পুকুর এবং জলাশয় ভরাট বন্ধ করতে হবে। নদী-নালার গভীরতা বৃদ্ধি করতে হবে। সরকারি সব খাস জমিতে নতুন নতুন পুকুর এবং জলাশয় কাটতে হবে। সব ধরনের রাস্তার পাশ দিয়ে পানি প্রবাহের জন্য নালা তৈরি করতে হবে, যাতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় এবং শুকনো মৌসুমে খুব সহজে পানি পাওয়া যায়। এখনই সময়, পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতে হবে; নতুবা আগামী ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ভূগর্ভের পানির সংকট কী হতে পারে তা সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কারও জানার থাকবে না। সরকারকে বলব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভূগর্ভস্থ পানির সংকট নিরসনে পরিকল্পনা মাফিক কাজ শুরু করুন।
পানি
ভূগর্ভস্থ পানি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ
কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে ভূগর্ভের পানি নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ প্রকল্প পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে; ফলে শত শত বিঘা জমির ধান এই শুকনো মৌসুমে এসে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে দেখা দেবে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের মানুষের চরম খাদ্য সংকট।
আজ থেকে ১০ বছর আগেও এমন পানির সংকট দেখা যায়নি বলে দাবি করেছে অনেক এলাকার মানুষ। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে এই শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন অনেক প্রবীণ কৃষক। পানির অভাবজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অনেক হারে বৃদ্ধি পাবে; এমনকি কোনো এক সময় এই এলাকা অর্ধ-মরুভূমিতে রূপান্তরিত হবে বলে দাবি অনেকের। পানির সংকটে কৃষিকাজসহ গবাদিপশু পালন এবং গৃহস্থালির সব কাজ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি উত্তরবঙ্গের এসব এলাকার মানুষের। পানির এই তীব্র সংকট থেকে তারা মুক্তি চায়। কিন্তু মুক্তি দেবে কে?
বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা, তিস্তা, করতোয়া, মহানন্দা, পদ্মা, বড়াল, ইছামতী, ইরাবতি, আত্রাই, ধরলা, বাঙ্গালী, নাগর ইত্যাদি নদ ও নদী। পদ্মা এবং যমুনা নদী ব্যতীত অধিকাংশ নদীতে পানি নেই। পানি না থাকার কারণ হলো উত্তরে বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর গভীরতা কমে যাওয়া। বর্ষা মৌসুমে পলি জমে নদীর গভীরতা কমে গেছে, এখন ওইসব নদীর গভীরতা বৃদ্ধি করা বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র দায়িত্ব এবং কর্তব্য।
ভূগর্ভস্থ পানি সংকটের অনেকগুলো কারণের মধ্যে প্রধান কারণ হলো নদী-নালায় পানি না থাকা, পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যাওয়া, অসচেতনভাবে পুকুর এবং জলাশয় ভরাট, ভূগর্ভের পানির অপচয়, নদী-নালা দখল করে ভরাট, ইউক্যালিপটাস বৃক্ষ অধিক হারে রোপণ, জনসচেতনতা কমে যাওয়া ইত্যাদি।
শুকনো মৌসুমে ভূগর্ভের পানির গভীরতা নিচে নেমে যাওয়ায় অনেক টিউবওয়েল আর্সেনিক সমস্যা দেখা যাচ্ছে। পানির গভীরতা যেসব এলাকায় যত কমে যাচ্ছে, সেসব এলাকায় এই আর্সেনিক সমস্যা তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ যে সব এলাকায় আর্সেনিক আছে সেসব এলাকার ভূগর্ভের পানির ব্যবহার তত কম, ফলে অন্য এলাকার পানির গভীরতা কমে যাওয়ায় এই আর্সেনিক এলাকার পানি ওই এলাকায় ভূগর্ভে স্রোতের সৃষ্টি করছে, ফলে আর্সেনিকযুক্ত পানি ভূগর্ভে ছড়িয়ে যাচ্ছে নানা দিকে। ভবিষ্যতে এটা একটা চরম সমস্যা হিসেবে দেখা দেবে বলে মনে করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
ভূগর্ভস্থ পানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে প্রস্তুত হতে হবে। সব ধরনের পুকুর এবং জলাশয় ভরাট বন্ধ করতে হবে। নদী-নালার গভীরতা বৃদ্ধি করতে হবে। সরকারি সব খাস জমিতে নতুন নতুন পুকুর এবং জলাশয় কাটতে হবে। সব ধরনের রাস্তার পাশ দিয়ে পানি প্রবাহের জন্য নালা তৈরি করতে হবে, যাতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় এবং শুকনো মৌসুমে খুব সহজে পানি পাওয়া যায়। এখনই সময়, পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতে হবে; নতুবা আগামী ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ভূগর্ভের পানির সংকট কী হতে পারে তা সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কারও জানার থাকবে না। সরকারকে বলব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভূগর্ভস্থ পানির সংকট নিরসনে পরিকল্পনা মাফিক কাজ শুরু করুন।
Thursday, September 22, 2022
ফসল by জেবু
ফসল
জেবু
স্বাধীনতার আগে
একটা দেশ বা জাতি হয় না
সুন্দর অনন্য সৃষ্টির জন্য নাকি
স্বাধীনতা প্রয়োজন,
সামাজিক প্রতিসঠার জন্য
মানুষ হওয়ার ধরাবাঁধা পথে
হাটঁতে হাটঁতে ক্লান্ত জাতি।
গাড়ি বাড়ী জমি ফ্লাট
এখন মানুষের পরিচয়,
তাহলে কোথায় মানুষ?
খুজেঁ খুজে বেলা গেলো,
পথ খুঁজতে নাকি
লাগে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
অধুরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী।
সচেতনতা অপরাধ বটে
অঙ্গীকার কই ?
ঘুরে ফিরে প্রেম বিলাস
প্রতিবাদেরা দাফন হয়েছে
ইনিয়ে বিনিয়ে বাক্য বিনিময়,
মানবতা অন্ধ
নামী দামী হতে ওরা মগ্ন।
দেখো গ্লাসের ওপাশে
ব্যাংক লুটপাট,
সাধারনের চোখ ছলছল জল
এতোটুকু বাচার আকুলতা
হয় না আর পূরন,
মাস শেষে হিসেবের দাবানলে
একই অভিন্ন অতৃপ্ত জীবন
সম্মানের চাদর।
চাল ডাল তেলের ভালোবাসাতে
মরছে মানুষ হারতে হারাতে,
বেশি কিছু চাওয়া নয়
তবুও পাওয়া হয় না,
স্বাধীনতার ফসল পেয়ে
স্বপ্নরা মরে গেছে,
ভালোবাসার জলে যারা মরে
তাদের মারতে যুদ্ধ লাগে না।।
ঝরা শেফালি bt মেশকাতুন নাহার
ঝরা শেফালি
মেশকাতুন নাহার
শরৎ রাণী by সৈয়দুল ইসলাম
শরৎ রাণী
সৈয়দুল ইসলাম
Monday, September 12, 2022
ভালবাসার সাতরঙ by সাইদ সুমন (শাহজালাল)
ভালবাসার সাতরঙ
সাইদ সুমন (শাহজালাল)
ভালবাসার সাতরঙে
বাধা আছে জীবন
আবৃত থাকে সে
পেন্সিলেরই মতন।
যেমন খুশি রঙ তুমি
নিতে পার তখন।
দূঃখ আছে সুখ আছে
এ জীবনে ভাই,
তাই নিয়ে জীবন নৌকা
আমরা যে সাজাই।
ভেঙে তুমি পরো না
দূঃখ কাছে এলে,
সাহস নিয়ে পথ চলো
মুক্ত হবে তাতে।
জীবন তোমার অনেক বড়ো
আসমানেরই মতো,
ভালবাসায় রাঙ্গিয়ে দাও
তোমার সীমা যত।
ভূলে ভরা জীবনটাকে
একটু পিছে ফেলে,
সাজিয়ে নাও রঙ্গ মঞ্চ
তোমার মতো করে।
তোমার ছোয়ায় হাসবে মানুষ
দেখবে বাঁচার আশা,
তোমায় মিয়ে বাধবে সে
দেশ গড়ারই নেশা।
স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট by মেশকাতুন নাহার
স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট
মেশকাতুন নাহার
বাবা মায়ের অতি আদরের মেয়ে লোপা। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে লোপা সবার ছোট। বাবা ছোট খাটো ব্যবসা করেন। বাচ্চাদের লেখাপড়া সহ মোটামুটি চলে যাচ্ছিল তাদের জীবন। লোপা মফস্বল শহরে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ছে। মেয়েটি দেখতে যেমন সুশ্রী তেমনি গুণে ও অন্যন্য। প্রচণ্ড মেধাবী পাশাপাশি রবীন্দ্র সঙ্গীত ও ভালো গাইতে পারে। পরীক্ষার ফলাফলে বরাবর প্রথম স্থান লাভ করে। রচনা প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বহু পুরষ্কার তাঁর ঝুলিতে। অসাধারণ প্রতিভার জন্য লোপা শিক্ষকদের অত্যন্ত স্নেহের পাত্রী। আচার ব্যবহার লেখাপড়া সব মিলিয়ে সকল শিক্ষকদের মন জয় করে নিয়েছে। শিক্ষকদের বিশ্বাস এই মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ভালো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে।
হঠাৎ করেই পৃথিবী আক্রান্ত হলো এক অদৃশ্য ক্ষুদ্র জীবাণুর সংক্রমণে। পৃথিবীর হাসি যেন উদাও হয়ে গেল। কোভিড-১৯ এর সাথে শুরু হলো মানুষের টিকে থাকার লড়াই। তারই পরিপ্রেক্ষিতে পৃথিবীর প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একের পর এক ছুটি ঘোষণা হলো। বাংলাদেশে ও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। কোভিড-১৯ এর কারণে লোপা সহ অসংখ্য ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বিঘ্নিত হয়।
কিভাবে কোভিড মোকাবিলা করা যায় পৃথিবীর সকল বিশেষজ্ঞদের ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এদিকে করোনা কালীন লোপার বাবার ব্যবসা মন্দা যায়। পরিবারে অভাব দেখা দেয়। অন্যদিকে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকায় লোপার বাবা মা লোপার বিবাহের ব্যবস্থা করেন। একজন বিদেশ ফেরত মধ্যবয়সী পাত্রের সাথে লোপার বিয়ে হয়ে যায়।
অনেকটা সময় পার হয়ে যখন টিকা আবিষ্কার হলো আস্তে আস্তে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু এই কোভিড লোপা সহ অসংখ্য কিশোরী মেয়ের স্বপ্ন ভেঙে দিয়ে যায়। প্রতিভা গুলো বিকশিত হওয়ার পূর্বেই দুমড়ে মুচড়ে যায়। লোপার স্বামী বিয়ের পরে আর লেখাপড়া করতে দিতে চান না। বলে দিয়েছেন সংসার আর ধর্ম কর্ম নিয়ে থাকতে।
এভাবেই আমাদের সমাজে বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে বহু মেয়েদের প্রতিভা ধ্বংস হয়ে যায়। তাদের আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ হয় না। দারিদ্রতা, অজ্ঞতা, কুসংস্কার সহ বিভিন্ন কারণে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না ফুলের মতো মেয়েগুলো। তাই আমাদের সবাই কে এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। বাল্যবিবাহের কুফল তুলে ধরতে হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের সংশোধন ও যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ আমরা জানি একজন শিক্ষিত মা একটা শিক্ষিত জাতি উপহার দিতে পারে।।
স্ব-বিরোধ by কবি বন্দনা মালিক
স্ব-বিরোধ
বন্দনা মালিক
Saturday, June 25, 2022
আরেক ফাল্গুন উপন্যাসে বাঙালি জাতীয়তাবাদী ভুমিকা ।
জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের কাহিনী অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। কাহিনীর স্থিতিকাল মাত্র তিনদিন দুই রাত। প্রথম দিনের কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে কাহিনির সূচনা। প্রথম দিন, রাত এবং দ্বিতীয় দিন ও রাত ধরে চলেছে একুশ পালনের বিরামহীন প্রস্তুতি। তৃতীয় দিন কাহিনির চূড়ান্তকাল। মিছিল এবং পুলিশের সংঘর্ষের মাধ্যমে অতিক্রান্ত হয়েছে এ চূড়ান্ত কালটি। অতঃপর দিনের শেষে কারা তোরণ প্রাঙ্গণে কাহিনির পরিসমাপ্তি। সেই জন্য কাহিনির ব্যাপ্তিকাল সীমিত। কিছু ঘটনা ও উদঘটনায় বিস্তৃত উপন্যাসের কলেবর।
সিপাহি বিদ্রোহের নির্মম স্মৃতিবিজড়িত ভিক্টোরিয়া পার্কের বর্ণনা দিয়ে ঔপন্যাসিক উপন্যাসের কাহিনির সূচনা করেন। 'সকালে কুয়াশায় ঢাকা পড়েছিল পুরো আকাশটা। আকাশের অনেক নিচু দিয়ে মন্থরগতিতে ভেসে চলেছিল একটুকরো মেঘ। উত্তর থেকে দক্ষিণ-রং তার অনেকটা জমাট কুয়াশার মতো দেখতে। ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশ দিয়ে ঠিক সেই মেঘের মতো একটি ছেলেকে হেঁটে যেতে দেখা গেল নবাবপুরের দিকে। দক্ষিণ থেকে উত্তরে। পরনে তার সদ্য ধোয়ানো সাদা শার্ট, সাদা প্যান্ট, পা-জোড়া খালি। জুতো নেই।'
এই ছেলেটিই 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের নায়ক মুনিম। মুনিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতা। সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতিময়তা এই উপন্যাসের সূচনাকে করেছে তাৎপর্যময় এবং বর্ণনায় প্রকৃতির পরিচর্যা কাহিনীকে করেছে সংকেতময়। মেঘের গতি উত্তর থেকে দক্ষিণে আর মুনিমের গতি দক্ষিণ থেকে উত্তরে। বর্ণনার এই সংকেতময় ইঙ্গিতটি শৈল্পিক। উপন্যাসের শেষাংশে বর্ণনায় এই ইঙ্গিত আরও সম্ভাবনাময় ও সুদূরপ্রসারী বলে মনে হয়েছে। যেমন- 'নাম ডেকে ডেকে তখন একজন একজন করে ছেলেমেয়েদের ঢোকানো হচ্ছিল জেলখানার ভেতরে। নাম ডাকতে ডাকতে হাঁফিয়ে উঠেছিলেন ডেপুটি জেলার সাহেব। এক সময় বিরক্তির সঙ্গে বললেন, উহ অত ছেলেকে জায়গা দেবো কোথায়? জেলখানা তো এমনি ভর্তি হয়ে আছে। ওর কথা শুনে কবি রসুল চিৎকার করে উঠল, জেলখানা আরও বাড়ান সাহেব। এত ছোট জেলখানায় হবে না। আর একজন বলল, এতেই ঘাবড়ে গেলে নাকি? আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো।'
সরকার ছাত্রছাত্রীদের শহিদ দিবস পালন করতে দেবে না। রাস্তায় সেস্নাগান দেওয়া নিষিদ্ধ। মিছিল, শোভাযাত্রা বেআইনি ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু ছাত্ররা বদ্ধপরিকর, তারা যে কোনো মূল্যে শহিদ দিবস পালন করবে। সে জন্য তারা পূর্ব থেকে বিভিন্ন কর্মসূিচ ঘোষণা করেছে। তাদের কর্মসূচির মধ্যে তিনদিন নগ্ন পায়ে চলা, সবাই রোজা রাখা, কালো ব্যাজ ধারণ করে ২১ ফেব্রম্নয়ারিতে কালো পতাকা উত্তোলন করা ইত্যাদি উলেস্নখযোগ্য। ছাত্রদের এ সব কর্মসূচি বাস্তবায়নে মুনিম-আসাদ দিন-রাত কাজ করে যায়। পোস্টার ও লিফলেট ছাপানো, কালো ব্যাজ বিতরণ, কালো পতাকা উত্তোলন, সেস্নাগান ও অন্যান্য সাংগঠনিক কর্মকান্ডে মুনিমের সক্রিয়তা বিরামহীন। আন্দোলনের সময় মুনিমকে নগ্ন পায়ে আসতে হয় দয়িতা ডলির জন্মদিনের উৎসবে। ব্যস্ততার কারণে ডলিকে সময় দিতে পারে না মুনিম। আন্দোলনের তেতৃত্ব দিতে গিয়ে মুনিমকে যোগ দিতে হয় বিভিন্ন ছাত্রসভায়। তাই ডলিকে একান্ন সান্নিধ্য দিতে পারে না সিনেমাতে। অভিমানী ডলি তাই রাগে ক্ষোভে তাকে প্রেরণ করে প্রত্যাখ্যানপত্র। মুনিম আহত হয়। কিন্তু রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ থেকে সে এক মুহূর্তের জন্য বিচু্যত হয় না। এটা তার রাজনৈতিক আদর্শনিষ্ঠা ও কর্তব্য। কিন্তু ডলির প্রতি অবজ্ঞা কিংবা আন্তরিকতাহীন তা কিন্তু নয়। মুনিম ডলিকে বিস্মৃত হয়নি। রাজনৈতিক কর্মব্যস্ততার আসরে ডলি তার কাছে হয়ে উঠেছে স্মৃতিলোকের মহারানী।
আন্দোলনে মুনিম একা নয়। সংগ্রামী উদ্দীপনায় এগিয়ে এসেছে সালমা, নীলা, রানু, বেনু, রাহাত, আসাদ, কবি রসুল, সাহানা প্রমুখ শত শত ছাত্রছাত্রী। রাজপথে তাদের আন্দোলন নিষিদ্ধ জেনেও তারা অবলম্বন করে ভিন্ন পথ। অবশেষে ২০ ফেব্রম্নয়ারি রাতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শহিদ দিবসের উন্মাদনা ও আত্মদানের মহান ব্রত দেখা যায়। সারারাত কেউ ঘুমায় না।
মেডিকেল হোস্টেল, মুসলিম হল, চামেলি হাউস, ইডেন হোস্টেল, ফজলুল হক হল ইত্যাদি হলের ছাত্রছাত্রীরা অতন্দ্রপ্রহরীর মতো সারারাত জেগে রইল। কেউ কেউ জটলা বেঁধে কোরাস গান ধরল 'ভুলবো না, ভুলবো না, একুশে ফেব্রম্নয়ারি'। ফজলুল হক হলের সামনের মাঠে কাগজ দিয়ে ছাত্ররা স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তুলল। ১৯৫২ সালেও মেডিকেল হোস্টেলের ব্যারাকের সামনে তারা রাতারাতি শহিদ মিনার তৈরি করে রেখেছিল। কয়েকদিন পর পুলিশ এসে সে মিনার ভেঙে দিল। তারপর ছাত্ররা কঞ্চি দিয়ে সেই নির্দিষ্ট স্থানটি ঘেরাও করে রেখেছিল। এখানেও মেডিকেলের ছাত্ররা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিয়েছে। অবশেষে কালো পতাকা উত্তোলিত হলো। ছাত্রদের সেস্নাগান ও ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশ লাঠিচার্জ করল; এরপর মেডিকেল ব্যারাক ঘেরাও করে ছাত্রদের বেধড়ক মারধর করল। পুলিশ ছাত্রছাত্রীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এরপর সকাল ১০টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রছাত্রীরা এসে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে জমায়েত হতে লাগল এবং সেখানে কালো পতাকা উত্তোলন হলো। এখানেও পুলিশ গুলি চালায়, অনেক ছাত্রছাত্রী আহত হয় আবার অনেককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। প্রিজন ভ্যানে উঠে ছাত্রছাত্রীরা সেস্নাগান দিতে থাকে- 'শহিদের খুন ভুলবো না, বরকতের খুন ভুলবো না'; 'শহিদ স্মৃতি অমর হোক'। এভাবে প্রায় আড়াইশ'র মতো ছাত্রছাত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
উপন্যাসের তৃতীয় দিনে চূড়ান্ত ঘটনাংশে আগের তুলনায় মুনিমকে ততোটা সক্রিয় মনে হয়নি। এ অংশে মুনিম অপেক্ষা আসাদ অধিক সক্রিয়। মিছিলে পুলিশের সংঘর্ষে মুনিম আহত হয়। গ্রেপ্তার হয়ে অপেক্ষা করে কারাগারের প্রাঙ্গণে। অতঃপর ডলি আর সাহানার আকস্মিক আবির্ভাবে বেদনাবিহ্বল মুনিম হয়ে ওঠে আনন্দে উদ্বেল। ডলি একমুঠো ফুল নিবেদন করে মুনিমকে। ডলির বিচ্ছেদ বেদনার পরিবর্তে কারাবাসী মুনিম বরং আনন্দবোধ করে। 'মুনিম মৃদু গলায় বলল, হয়তো দীর্ঘদিন তোমার সঙ্গে আর দেখা হবে না ডলি। ডলি চোখ তুলে তাকালো ওর দিকে। স্বল্প অন্ধকারেও মুনিম দেখলো, ডলির চোখজোড়া পানিতে ছল ছল করছে। আনন্দে মনটা নেচেছিল বারবার। আর সে শুধু চেয়ে দেখছিল ডলিকে। ডলির এমন রূপ আর কোনোদিন চোখে পড়েনি মুনিমের।'
উপন্যাসের কাহিনী বিস্তারে আপসহীন ছাত্রনেতা হিসেবে মুনিম ও আসাদের চরিত্র উজ্জ্বল। মুনিম পিতৃহীন, দরিদ্র বিধবা মায়ের সন্তান। মায়ের স্নেহ-ভালোবাসা ও আপত্তি, সংসারের টানাপড়েনে কিংবা প্রবল আন্দোলনের সময়ে প্রেমাষ্পদ ডলির প্রত্যাখ্যান কোনো কিছুই আন্দোলনের গতিধারা থেকে তাকে বিচু্যত করতে পারেনি। তাই মুনিম চরিত্রে রাজনৈতিক আদর্শনিষ্ঠা ও প্রণয়নিষ্ঠা উভয়ই সমান্তরাল গতিতে প্রবহমান। অন্যদিকে আসাদও একজন একনিষ্ঠ বিপস্নবী ছাত্রকর্মী। পিতার গালাগাল ও আর্থিক অসহযোগিতা তাকে আন্দোলনের মাঠ থেকে স্থানচু্যত করতে পারেনি। রাজনৈতিক ক্রিয়া-কর্মে সে নিজেকে সারাক্ষণ সক্রিয় রেখেছে। বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ থেকে শুরু করে কালো ব্যাজ ও কালো পতাকা বিতরণ ইত্যাদি কাজেও সে ছিল ক্লান্তিহীন। উপন্যাসের শেষের দিকে আসাদকে বেশ সক্রিয় মনে হয়। পুলিশের প্রবল বাঁধার মুখে ছেলেরা যখন ছত্রভঙ্গ তখন চিৎকার দিয়ে প্রতিরোধের জোর আহ্বান জানিয়েছে আসাদ ছাত্রদের। বায়ান্ন সালের মতোই সর্বাগ্রে যেন পুলিশের নির্যাতন সহ্য করে বন্দি হয়েছে। মামলার কোমল স্পর্শে আসাদের হৃদয় হয়েছে উদ্বেলিত। আন্দোলন চলাকালে সালমার বাসায় আশ্রয় নেয় আসাদ। শীতের গভীর রাতে জ্বলন্ত স্টোভের পাশে বসে আসাদ ও সালমা।
'আসাদ বলল, সত্যি ভীষণ শীত পড়ছে। হাতজোড়া বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে গেছে' দেখুন বলে, হাত দুটো ওর দিকে এগিয়ে দিল আসাদ। অন্ধকারে মৃদু হাসলো সালমা। হাত বাড়িয়ে ওর হাতের তাপ অনুভব করতে গেলে হাতজোড়া আলতো ধরে রাখলো আসাদ।'
ডলি বিত্তশালী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে। ছাত্রনেতা মুনিমের প্রেমিকা। ডলি যতটা ব্যক্তি মুনিমের ভক্ত, তার আদর্শের প্রতি ততোটা বিরক্ত। ডলির জন্মদিনের উৎসবে শহিদ স্মৃতির সম্মানে নগ্নপদ যাত্রী মুনিমের উপস্থিতিতে ডলি বিব্রতবোধ করে। এই বিব্রতবোধের কারণ মুনিম নিজে না, তার নগ্নপদযুগল। ডলির উচ্চারণ, 'এমন করে আমাকে অপমান করতে চাও কেন শুনি।' এরপর ডলি মুনিমকে তার বাবার স্যান্ডেল পরতে পরামর্শ দেয়। মুনিম কারও সামনে বিব্রত হোক, উপহাসের পাত্র হোক ডলি তা চায় না। প্রবল ব্যস্ততার কারণে ডলিকে সময় দিতে পারে না মুনিম। তাই ডলি হয়ে ওঠে বিক্ষুব্ধ। এই অভিমানী ডলি মুনিমের উপহারসামগ্রী ফেরত দিয়ে প্রেরণ করে রিফিউজ লেটার। এত অল্প সময়ের মধ্যে বা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিফিউজ করা সত্যিই ভাবিয়ে তোলে পাঠককে। এরপর ডলি গ্রহণ করে বজলকে। বজলের সঙ্গে সর্বত্র তার অবাধ বিচরণ। মুনিম থেকে বজলকে ডলি বেশি ভালোবাসে তা কিন্তু নয়; এটা ডলির অভিমানী হৃদয়ের বিশেষ খেয়াল। এক সময় বজলের কপটতা ও মিথ্যাচারিতা ডলি বুঝতে পারে। অবশেষে ডলি ফিরে আসে মুনিমের কাছে। কারাযাত্রী মুনিমকে একগুচ্ছ পুষ্পার্ঘ দিয়ে বরণ করে ডলি। সালমা মেডিকেলের ছাত্রী, কারারুদ্ধ বিপস্নবী, রওশনের স্ত্রী। সে আন্দোলনে কঠোর, হৃদয়বীর্য কোমল। রওশন সালমার বড় ভাইয়ের বন্ধু। সালমা তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল। ১৯৪৮-এর ভাষা আন্দোলনে স্বামী হয়েছে কারারুদ্ধ। কারারুদ্ধ হয়েছে তার ছোট বোন ও ভাই। রাজশাহী জেলে গুলি করলে স্বামী রওশন হারায় দুটি হাত। প্রণয়দগ্ধ, বেদনাদগ্ধ সালমা তাই হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের একজন নির্ভীক আন্দোলন কর্মী। স্বামী রওশনের খন্ডিত হাত কখনো সেস্নাগানে উত্তেজিত হবে না, নিবিড় আলিঙ্গনে সালমাকে বাহুবন্ধনে আবদ্ধ করবে না- একথা ভাবতে গেলেই সালমার হৃদয় মুচড়ে ওঠে। স্বামীর কারামুক্তির সম্ভাবনাও অনিশ্চিত। অভিভাবক হিসেবে সালমার চাচা বিবাহ বিচ্ছেদের পরামর্শ দিলে সালমা তাতে রাজি হয় না।
অন্যদিকে, রওশনের চিঠিতেও অনুকূল সাড়া আসে না। এই দো-টানা পরিস্থিতিতে সালমা নিজ সিদ্ধান্তে অটল থাকে এবং হয়ে ওঠে স্বামী আদর্শচারী। তার চরিত্রের এই দৃঢ় চেতনাই তার ভালোবাসার খাঁটিত্ব প্রমাণিত হয়। আসাদকে সালমার ভালো লাগার একটা কারণ হচ্ছে কথা বলতে গেলে হঠাৎ রওশনের মতো মনে হয়, বিশেষ করে ঠোঁট আর চিবুকের অংশটুকু। তবে সালমার এ ভালোলাগার মধ্যে কোনো অনুরাগ নেই, রয়েছে সালমার বিরহদগ্ধ সংবেদনশীল হৃদয়ের সাময়িক বিভ্রম মাত্র।
বজলের প্রিয় বন্ধু মাহমুদ। গোয়েন্দাকর্মী মাহমুদ কবিতা লেখে। মানসিক দিক দিয়ে উভয় বন্ধুর আদর্শ অভিন্ন। তারা দুজনই সাহিত্যিক ও নারী লিপ্সু। তবে রমণী রমণে মাহমুদের পারদর্শিতা সমধিক। সে ভালোবাসার প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছে ঢালী ক্লার্কের মেয়ে সালেহাকে আবার বিয়ে করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সাহানাকে। এই প্রতিশ্রম্নতি আর অঙ্গীকার করে দুটি মেয়েকেই করেছে সে কলঙ্কিত ও কলুষিত। যার ফলে সালেহা করেছে আত্মহনন আর সাহানা হয়েছে প্রত্যাখ্যাত। 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসে ছাত্রদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামী চেতনার পাশাপাশি সুবিধাভোগী রাজনৈতিক নেতাদের মতো মধ্যবিত্তসুলভ মানসিকাপুষ্ট ছাত্রছাত্রী স্বার্থান্ধ কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের কথা জহির রায়হান অকপটে বর্ণনা করেছেন সুনিপুণভাবে। প্রসঙ্গক্রমে বজলের একটি উক্তি উলেস্নখ করা যায়।
'আমরা হলাম সাহিত্যিক। সমাজের আর দশটা লোক, মিছিল আর শোভাযাত্রা বের করে পুলিশের লাঠি খেয়ে প্রাণ দিলে কিছু এসে যায় না। কিন্তু আমাদের মৃতু্য মানে দেশের এক একটি প্রতিভার মৃতু্য।' বজলের এই স্বার্থপর উক্তি থেকেই বোঝা যায়, সমাজ বা রাষ্ট্রে তার অবস্থান কোথায়? জহির রায়হানের জীবন দৃষ্টি রোমান্টিক। 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসে এই রোমান্টিক দৃষ্টির প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তিনি সফলভাবে। রাজনৈতিক পটভূমিতে এটি রচিত হলেও প্রণয় উপেক্ষিত নয়। ডলি মুনিমের প্রেমানুভূতি আর সালমা ও রওশনের অকৃত্রিম হৃদয়ানুভূতিই এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ। উপন্যাসের মূল কাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য উপ-কাহিনী। পস্নট সংগঠনে লেখকের নৈপুণ্য সর্বত্র রক্ষিত হয়নি। চরিত্র অনুসারে ভাষা ব্যবহারে লেখক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। সর্বোপরি, বর্ণনার আবেগের সঙ্গে ঘটনার প্রবহমানতা একাত্ম করে জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের তথা একুশের প্রথম উপন্যাস রচনা করে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
বাঙালি জাতীয়তাবাদী
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষও ঘটে ঔপনিবেশিক আমলে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে। এক ভাষা ও সংস্কৃতির একদল মানুষ দীর্ঘ সংগ্রামে একত্রে আনতে সক্ষম হয় বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে। সেখান থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের শুরু। কিন্তু ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা কিংবা তারও আগে ১৮৮৫ সালে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা দুই ধরনের জাতীয়তাবাদের ধারক- বাহক রূপে আত্মপ্রকাশ করতে থাকে; যদিও কংগ্রেসের মধ্যে কিছুটা উদারতা ছিল অন্যান্য সম্প্রদায়ের ব্যাপারে। এক সময় এদের অবস্থান দুই বিপরীত মেরুতে চলে যায়। মুসলিম জাতীয়তাবাদের নেতা মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ’র দ্বিজাতি তত্ত্ব ও লাহোর প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করে মুসলিম জাতীয়তাবাদের সৃষ্টি হয়। ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ সালের মধ্যরাতে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষ ভেঙে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুইটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এর পূর্ব অংশ বাংলা একটি প্রদেশ হিসেবে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয়। মূল পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু শুরু হতেই পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থা পশ্চিম পাকিস্তানের এলিটদের হাতে ন্যস্ত ছিল। ফলস্বরূপ, পূর্ব পাকিস্তানের সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থার উপর পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতা ছড়ি ঘুরাচ্ছিল। সমস্ত অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার জনগণ কথা বলতে গিয়ে সবাই এক প্লাটফর্মের যাত্রী হয়ে যায়। সৃষ্টি হয় বাঙালি স্বাজাত্যবোধ ও তার পরিণাম গণ আন্দোলন ও মুক্তির আকুতি।
বাঙালির মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার সংগ্রাম হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির অধিকার সচেতনতার প্রথম ধাপ; পর্যায়ক্রমে যা বিকশিত হয়ে ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচন, ছয় দফা আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন, সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিরোধী সংগ্রাম, গণ অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের উন্মেষ ঘটায়।
বাংলা ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে ভিত্তি করে জাতীয় এ ঐক্যের নামই বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
